1. amarcampus24@gmail.com : admin2020 :
রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

বিএসএফের গুলিতে দুইদিনে নিহত পাঁচ বাংলাদেশি

আমারক্যাম্পাস ২৪ ডটকম/অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট টাইম :: শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২০
সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ভারত

সীমান্ত হত্যা বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভারত বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতি দিলেও সীমান্ত হত্যা কমেনি। বরং গত বছরের তুলনায় তিনগুণ বেড়েছে।

প্রণাঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার কথা বললেও গত দুইদিনে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফের গুলিতে পাঁচ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে তিন জন। তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোরে নওগাঁর পোরশা উপজেলার দুয়ারপাল সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে তিন বাংলাদেশি নিহত হন। এর আগে বুধবার লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন আরও দুই বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে দুয়ারপাল সীমান্তে নিহতরা হলেন- বিষুপুর দিঘীপাড়া পোরশা এলাকার মৃত খোদা বক্সের ছেলে মফিজ উদ্দিন, বিষুপুর বিজলী পাড়া এলাকার শুকড়া উড়াওয়ের ছেলে সনজিত উড়াও (২৪), বিষুপুর কাটাপুকুর এলাকার মৃত জন্নুর রহমানের ছেলে কামাল হোসেন (২০)।

স্থানীয়রা জানান, রাতে সীমান্তের ২৩১/১০-এস মেইন পিলার এলাকা দিয়ে গরু আনতে ভারতের অভ্যন্তরে যায় বেশ কয়েকজন। তখন তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে ১৫৯ বিএসএফ’র কেদারীপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা। এতে তিন বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। নওগাঁ ১৬ বিজিবির সিও লে. কর্নেল আরিফুল ইসলাম বাংলানিউজকে জানান, এ ঘটনা পর পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। অন্যদিকে বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা আমঝোল সীমান্তের ৯০৭/৪ নম্বর পিলার এলাকার বাংলাদেশের ৫০ গজ ভেতর থেকে ওসমান আলীর ছেলে সুরুজ মিয়ার (১৭) মরদেহ উদ্ধার করে বিজিবি।

২০১৮ সালে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও ভারতের বিএসএফ সিদ্ধান্ত নেয় সীমান্তে ‘লিথ্যাল উইপন’ বা প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হবে না। তবে হতাশার বিষয় হলো, সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরের বছর ২০১৯ সালেই এর আগের চার বছরের তুলনায় সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার সংখ্যা বেড়েছে। গত এক বছরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশিদের প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের আইন ও সালিশ কেন্দ্র।

২০১৮ সালে সীমান্তে প্রাণহানির সংখ্যা ছিল ১৪ জন। সে হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রাণহানির সংখ্যা তিন গুণেরও বেশি বেড়েছে।

আমার ক্যাম্পাস/ঢাকা/আর এম

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর