1. amarcampus24@gmail.com : admin2020 :
- AmarCampus24
মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১, ১০:৩০ অপরাহ্ন

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আমার ক্যম্পাস/নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম :: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা এক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার মহানগর ১ নম্বর বিশেষ ট্রাইবুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ সোমবার এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

জালিয়াতি ও প্রতরণার অভিযোগে সাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া কয়েক ডজন মামলার মধ্যে উত্তরা পশ্চিম থানার এই অস্ত্র আইনের মামলারই প্রথম রায় এল।

অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডই সর্বোচ্চ সাজা। পাশাপাশি আরেকটি ধারায় সাহেদকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে রায়ে। তবে দুই ধারার সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে বলে তার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবনই প্রযোজ্য হবে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, “আমাদের এই সমাজে সাহেদের মতো ভদ্রবেশে অনেক লোক রয়েছে, যাদের জন্য এই মামলার রায় একটি বার্তা হিসেবে কাজ করবে।”

আদালতে উপস্থিত সাহেদ রায় শুনে অনেকটাই নিবির্কার ছিলেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন।

তবে আসামির আইনজীবী মো.মনিরুজ্জামান বলেছেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

রিজেন্ট হাসপাতালে কোভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে গত ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাহেদকে।

ওই মামলায় গোয়েন্দা পুলিশের রিমান্ডে থাকার সময় ১৮ জুলাই রাতে সাহেদকে নিয়ে উত্তরায় অভিযান চালিয়ে তার একটি গাড়ি থেকে গুলিসহ একটি পিস্তল এবং কিছু মাদক জব্দ করা হয়।

ওই ঘটনায় উত্তরা পশ্চিম থানায় অস্ত্র আইনে এই মামলা করে পুলিশ। এরপর গত ৩০ জুলাই ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. সাইরুল ইসলাম।

গত ২৭ অগাস্ট অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর পর এ মামলার কাজ এগিয়েছে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে। রাষ্ট্রপক্ষে ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে মোট ১১ জনের সাক্ষ্য শুনেছে আদালত।

আসামি সাহেদ গত ১৬ সেপ্টেম্বর আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, যে অস্ত্রের কথা এ মামলায় বলা হচ্ছে, সেটা তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়নি।

দুই পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে ২০ সেপ্টেম্বর বিচারক রায় ঘোষণার জন্য ২৮ সেপ্টেম্বর তারিখ রাখেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন আবদুল্লাহ আবু ও তাপস পাল। অন্যদিকে আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান।

অভিযোগ গঠন থেকে মাত্র আট কার্যদিবসে এ মামলা রায়ের পর্যায়ে আসে। বাংলাদেশে এত কম সময়ে এর আগে আর কোনো ফৌজদারি মামলার রায় হয়নি বলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আবদুল্লাহ আবু জানান।

অন্যদিকে সাহেদের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “মাত্র ৮ কার্যদিবসে মামলা শেষ হয়ে গেল। তাড়াহুড়ো বেশি হয়ে গেল। ন্যায়বিচার পেলাম না । রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।”

আমার ক্যাম্পাস/ঢাকা/আর এম

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর