1. amarcampus24@gmail.com : admin2020 :
এডভোকেটশিপ লিখিত পরীক্ষার খাতা পরিবর্তনের শঙ্কা! - AmarCampus24
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

এডভোকেটশিপ লিখিত পরীক্ষার খাতা পরিবর্তনের শঙ্কা!

আমার ক্যম্পাস/বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম :: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষার খাতা পরিবর্তনের আশংকা করছেন এমসিকিউ উত্তীর্ণ অনেক শিক্ষার্থী। তাদের দাবী বার কাউন্সিলের একটি চক্র টাকার বিনিময়ে খাতা পরিবর্তন করে থাকে।

বার কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্যরা এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন না। উল্টো তারা এসব ঘটনা যে ঘটে তা স্বীকার করতেও চান না।

বার কাউন্সিলের আইনজীবী অন্তর্ভুক্তির লিখিত পরীক্ষা নিয়ে করুণ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা দেন একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলএম (মাস্টার্স) ফার্স্ট ক্লাস পাওয়া সাবেক ওই শিক্ষার্থী জানান, ২০১৩ সালের পূর্বে সহকারী জজ (জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যম) হতে বার কাউন্সিলের লাইসেন্স (অ্যাডভোকেট) থাকার বাধ্যবাধকতা ছিল।

কিন্তু ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত বারের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় জুডিশিয়ারির ভাইবা দেওয়া থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে। ওই বছর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বমোট ৩৭ জন শিক্ষার্থী বারের লিখিত পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়ছিলো।

এদের মধ্যে ২৭ জন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। ওই ২৭ শিক্ষার্থী জুডিশিয়ারির মতো কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলেও বারের লিখিত পরীক্ষায় অকৃতকার্য দেখানো হয়।

তিনি আরও জানান, বার কাউন্সিলের একটি চক্র মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে লিখিত পরীক্ষার খাতা বদলে দেওয়ার মত ঘটনা আমরা আগেও শুনেছিলাম। কিন্তু ছাত্র অবস্থায় তা বিশ্বাস করিনি। তাই নিজেরা ভুক্তভোগী হবার পর আমরা ওই ২৭ শিক্ষার্থী ২০১২ সালে লিখিত পরীক্ষার খাতা রিভিউ চেয়ে আবেদন জানিয়েছিলাম। যা আজ পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি, এলএলএম (মাস্টার্স) ফার্স্ট ক্লাস পাওয়া একজন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ২০১৫ সালের লিখিত পরীক্ষায় তিনি উত্তীর্ণ হতে পারেননি অথচ তার সাথে চট্টগ্রাম থেকে আসা একজন ঠিকাদার লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন অথচ ঐ ঠিকাদার আগেই জানিয়েছিলেন তিনি কিছুই পড়েন নি জাস্ট পরীক্ষায় উপস্থিত হতে এসেছেন।

একাধিক শিক্ষার্থী আমার ক্যাম্পাসে কে বলেন, তাদের দাবি লিখিত পরীক্ষার খাতায় ওএমআর অন্তভুক্ত করতে হবে এবং খাতা রিভিউ করার সুযোগ থাকতে হবে। এছাড়া লিখিত পরীক্ষার রেজাল্ট ৩ মাসের মধ্যে দিতে হবে।

বহুবছর ধরে বার কাউন্সিলের বিরুদ্ধে চলে আসা লিখিত পরীক্ষার খাতা বদলের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, এসব বাতাসি অভিযোগ। কেউ কখনও আমাদের কাছে উপযুক্ত প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি।

আমার ক্যাম্পাস/ঢাকা/খপ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর